Islamic News BD - The Lesson of Peace
ইসলামে কৃত্রিমভাবে সন্তান নেওয়ার বিধান কী?
বুধবার, ০৬ মে ২০২৬ ০৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
Islamic News BD - The Lesson of Peace

Islamic News BD - The Lesson of Peace

আল্লাহ তাআলা বলেন, আল্লাহ তোমাদের জন্য তোমাদের থেকে জোড়া সৃষ্টি করেছেন এবং তোমাদের জোড়া থেকে তোমাদের জন্য পুত্র ও নাতিদের সৃষ্টি করেছেন আর তিনি তোমারেদকে পবিত্র রিজিক দান করেছেন। তারা কি বাতিলে বিশ্বাস করে এবং আল্লাহর নেয়ামতকে অস্বীকার করে? (সুরা নাহল: ১৬)

আল্লাহ তাআলা আরও বলেন, আসমানসমূহ ও জমিনের রাজত্ব আল্লাহরই। তিনি যা চান সৃষ্টি করেন। তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন। অথবা তাদেরকে পুত্র ও কন্যা উভয়ই দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করেন। তিনি তো সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান। (সুরা শুরা: ৪৯, ৫০)

নবী (সা.) বলেছেন, তোমরা বিয়ে কর স্নেহশীল ও অধিক সন্তান প্রসবকারী নারীদের। কেয়ামতের দিন আমি তোমাদের সংখ্যাধিক্য নিয়ে গর্ব করবো। (সুনানে আবু দাউদ, সুনানে নাসাঈ)

মানবজাতির অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য, পৃথিবী আবাদ রাখার জন্যই মানুষের প্রজনন বা সন্তান জন্মদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নেক সন্তানকে কোরআন-হাদিসে আল্লাহর বড় নেয়ামত বলা হয়েছে। কিন্তু অনেক সময় স্বামী বা স্ত্রী অথবা উভয়ই বন্ধ্যাত্বে আক্রান্ত হন, অথবা কোনো সমস্যার কারণে গর্ভধারণে বিলম্ব হয়।আধুনিক বিজ্ঞান এই সমস্যা সমাধানের জন্য কৃত্রিম প্রজননের বিভিন্ন পদ্ধতি আবিষ্কার করেছে। কৃত্রিম প্রজননের সব পদ্ধতি ইসলামি শরিয়তে নিষিদ্ধ নয়, আবার সব পদ্ধতি জায়েজও নয়। এখানে আমরা সংক্ষেপে আলোচনা করবো, শরিয়তে কৃত্রিম প্রজননের কোন পদ্ধতিগুলো জায়েজ, কোন পদ্ধতিগুলো নাজায়েজ। কৃত্রিম প্রজননের কোন পদ্ধতিগুলো জায়েজ, কোন পদ্ধতিগুলো নাজায়েজ?

কৃত্রিম প্রজননের বিভিন্ন রয়েছে। তবে সেগুলো দুই ভাগে বিভক্ত: ইসলামের নির্ধারিত বিধিনিষেধ অনুযায়ী জায়েজ অথবা ইসলামি শরিয়তের মূলনীতির বিরোধী হওয়ায় নাজায়েজ।

জায়েজ পদ্ধতিগুলোর মধ্যে রয়েছে:

নাজায়েজ পদ্ধতিগুলোর মধ্যে রয়েছে:

জায়েজ কৃত্রিম প্রজননের ক্ষেত্রে সতর্কতা

ফকিহগণ ব্যক্তি, পরিবার ও সমাজকে সুরক্ষিত রাখতে কৃত্রিম প্রজননের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করতে বলেছেন, যেমন:

যদি স্বাভাবিকভাবে সন্তান না হয়, কৃত্রিম প্রজননের জায়েজ পদ্ধতি অনুসরণ করেও সন্তান জন্মদান সম্ভব না হয়, তাহলে একজন মুমিনের কর্তব্য নাজায়েজ পদ্ধতি গ্রহণ না করে এটাকে আল্লাহ তাআলার নির্ধারণ হিসেবে মেনে নেওয়া। আল্লাহ তাআলা বলেন, আসমানসমূহ ও জমিনের রাজত্ব আল্লাহরই। তিনি যা চান সৃষ্টি করেন। তিনি যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন। অথবা তাদেরকে পুত্র ও কন্যা উভয়ই দান করেন এবং যাকে ইচ্ছা বন্ধ্যা করেন। তিনি তো সর্বজ্ঞ, সর্বশক্তিমান। (সুরা শুরা: ৪৯, ৫০)