প্রশ্ন: অনেককে বলতে শোনা যায়, জান্নাতে গিয়েও মানুষ আফসোস করবে যে, কেন আরও বেশি আমল করে আরও বেশি মর্যাদার অধিকারী হলো না। কথাটা কি ঠিক?
উত্তর: জান্নাতে গিয়ে মানুষ আফসোস করবে এই কথাটি সঠিক নয়। আফসোস
জনপ্রিয় আলেম ও আলোচক শায়খ আহমাদুল্লাহ বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল ২০২৬) তার ভেরিফায়েড ইউটিউব চ্যানেলে প্রযুক্তির কাছে যেন হেরে না যায় আমাদের নামাজ! শিরোনামে নিজের আলোচনার একটি ভিডিও পোস্ট করেছেন। ওই আলোচনায় তিনি বলেছেন, স্মার্টফোন এবং
ফজরের ওয়াক্ত হলো সুবহে সাদিকের সময় থেকে সূর্যোদয় পর্যন্ত। আপনি যদি সূর্যোদয়ের আগে ঘুমিয়ে থাকার কারণে বা অন্য কোনো কারণে ফজরের নামাজ আদায় করতে না পারেন, তাহলে সূর্য পুরোপুরি উদিত হওয়ার পর সূর্য ঢলে যাওয়ার
প্রশ্ন: শাওয়াল মাসে ৬টি নফল রোজা রাখার বিশেষ ফজিলত আছে বলে জানি। আমি শাওয়ালের শুরুতেই কয়েকটি রোজা রেখেছি। বাকি রোজাগুলো কত তারিখের মধ্যে রাখতে হবে?
উত্তর: শাওয়াল মাসের রোজা শাওয়াল মাসের মধ্যে অর্থাৎ শাওয়ালের ২ তারিখ
ঘুম মানুষের জন্য শান্তি ও বিশ্রামের সময়। কিন্তু কখনো কখনো অজানা ভয় বা দুঃস্বপ্ন সেই প্রশান্তি নষ্ট করে দেয়। এমন মুহূর্তে মুমিনের জন্য সবচেয়ে বড় আশ্রয় হলো আল্লাহর জিকির ও নবী করিম (সা.)-এর শেখানো দোয়া।
মানুষের জীবন আসলে এক ধারাবাহিক পরীক্ষা। কখনো দারিদ্র্যতা, কখনো রোগ-ব্যাধি, আবার কখনো সম্পদ ও সুখ-সমৃদ্ধি দিয়ে আল্লাহ তাআলা বান্দাদের পরীক্ষা করেন। অনেক সময় মানুষ দুঃখের সময় আল্লাহকে স্মরণ করে, কিন্তু সুখ ও প্রাচুর্যের সময় সেই
রোজার মাস শেষ হওয়ার সাথে সাথেই আসে ঈদের দিন। এক মাসের সংযমী জীবনের পর মুসলমানরা আবার স্বাভাবিকভাবে খাবার খায়। তারা আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করে জামাতের সাথে দুই রাকাত ঈদের নামাজ আদায় করে। একে অপরের সঙ্গে
প্রশ্ন: আমি ঢাকায় পরিবার নিয়ে ভাড়া বাসায় থাকি বেশ কয়েক বছর ধরে। বাবা-মা গ্রামের বাড়িতে থাকেন। ঈদের ছুটি ও অন্যান্য ছুটির সময় কয়েক দিনের জন্য গ্রামের বাড়িতে বেড়াতে গেলে আমি কি কসর পড়বো নাকি পূর্ণ







