২৪ ঘণ্টার মধ্যে শেষ রাত অত্যন্ত বরকতপূর্ণ সময়। এ সময় বান্দার প্রতি আল্লাহর রহমত বর্ষিত হয়। আল্লাহ তায়ালা শেষরাতে বান্দাদের ডাকতে থাকেন। এক হাদিসে বর্ণিত হয়েছে, শেষ রাতে আল্লাহ তায়ালা বলেন, আছে কি কেউ, যে
মহান আল্লাহর যত গুণাবলি রয়েছে, ক্ষমার গুণ তার অন্যতম। কোরআন-হাদিসের পাতায় পাতায় আল্লাহর ক্ষমা ও মহানুভবতার পরিচয় মুক্তার মতো ছড়িয়ে আছে। আল্লাহ বলেছেন, হে আমার বান্দাগণ, যারা নিজেদের প্রতি অবিচার করেছ, তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে
আব্দুর রহমান ইবনে গানম (রহ.) থেকে বর্ণিত, মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেন, যে ব্যক্তি মাগরিব ও ফজরের নামাজের পর ফিরে বসা ও পা ঘোরানোর আগে নিম্নোক্ত দোয়া ১০ বার পড়ে, আল্লাহ তাআলা তার আমলনামায় প্রত্যেক
সদকায়ে জারিয়া এমন সদকা বা দান যার প্রভাব ও উপকার দীর্ঘ সময় ধরে অব্যাহত থাকে। এ রকম সদকার প্রভাব যেমন জারি থাকে, সওয়াবও জারি থাকে। এমন কি সদকাকারীর মৃত্যুর পরও যদি সদকার উপকার জারি থাকে,
দান করা, আল্লাহর পথে খরচ করা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ আমল। কোরআনে আল্লাহ তার সন্তুষ্টির জন্য সদকাকারীদের, তার পথে খরচকারীদের তার সন্তুষ্টি, সওয়াব ও জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, যারা আল্লাহর রাস্তায় তাদের সম্পদ ব্যয় করে,
আনন্দ-সুখ কিংবা দুঃখ-কষ্ট সবই মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে। আনন্দের মুহূর্তে যেমন তাঁর প্রশংসা করা কর্তব্য তেমনি দুঃখ-কষ্টের সময়েও তার কাছে আত্মসমর্পণ করা জরুরি। তাই রাসুল (সা.) কোনো আনন্দের কোনো কিছু দেখলে বলতেন - (الْحَمْدُ لِلَّهِ
আজকাল একটি প্রবণতা অনেক বেশি লক্ষ করা যাচ্ছে যে মানুষ কোনো অন্যায় কাজ হতে দেখেও নির্লিপ্ত থাকে। অনেক নামাজি দ্বিনদার মানুষও এটা মনে করে চুপ থাকে যে এটি তার ব্যক্তিগত বিষয়, তাতে হস্তক্ষেপ করা যাবে
রাসুল (সা.) বলেছেন, যে পছন্দ করে তাকে জাহান্নাম থেকে দূরে রাখা হোক এবং জান্নাতে প্রবেশ করানো হোক, তার মৃত্যু যেন এমন অবস্থায় হয় যে, সে আল্লাহ ও তাঁর রাসুলের প্রতি ইমান রাখে এবং অন্যের সাথে







