যে কোনো বিপদ আপদে, কঠিন পরিস্থিতিতে মুমিনের কর্তব্য হলো ধৈর্য ধারণ করা ও আল্লাহ তাআলারর সাহায্য প্রার্থনা করা। আল্লাহ তাআলাই মুমিনের চূড়ান্ত ভরসাস্থল। দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার কাছে সাহায্য প্রার্থনার পাশাপাশি মুমিনের ঈমানও প্রকাশ পায়।
নিচের হাদিসটি সততা, আল্লাহর উপর পূর্ণ ভরসা এবং আমানতদারির এক অনন্য উদাহরণ:
عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ ذَكَرَ رَجُلاً مِنْ بَنِي إِسْرَائِيلَ سَأَلَ بَعْضَ بَنِي إِسْرَائِيلَ أَنْ يُسْلِفَهُ أَلْفَ
আজানের পর দরুদ পাঠ করা সুন্নত। আজানের সময় অযথা কথাবার্তা না বলে আজান শোনা ও আজানের জবাব দেওয়া এবং আজানের পর নবিজির (সা.) জন্য দোয়া করার বিশেষ ফজিলত ও পুরস্কারের ঘোষণা এসেছে হাদিসে। আবদুল্লাহ ইবনে
কবর সংশ্লিষ্ট ফলক বা দেয়ালে কোরআনের আয়াত লেখা নাজায়েজ। এতে কোরআনের সম্মানহানী হয়। কবরের ফলক ও দেয়ালে কবিতা, স্তুতিবাক্য, হাদিসের বাণী ইত্যাদি লেখাও নিষিদ্ধ।
জাবের (রা.) বলেন, নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কবর পাকা করা, তার ওপরে
দ্বীনি ইলম শিক্ষা করা, আল্লাহর পরিচয়, ইমান ও ইসলামের বিধিবিধান সম্পর্কে জানা মুসলমানদের একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ও আমল। জ্ঞান ছাড়া সঠিক পদ্ধতিতে যথাযথ আমল করা যায় না। যে পরিমাণ ইলম অর্জন না করলে ইমান ঝুঁকির
দুনিয়ার জীবনে অভাব-দারিদ্র্য এক বড় মসিবত। দারিদ্র্যের কারণে মানুষের মন ছোট হয়ে যায়। সম্মান নষ্ট হয়। দুনিয়ার কাজকর্ম যেমন ঠিকভাবে করা যায় না, শরিয়তের নির্ধারিত কর্তব্যগুলোও ঠিকভাবে পালন করা যায় না, আল্লাহর ইবাদতেও মন লাগে
গত শুক্রবার (সৌদি আরবে ১৮ জুলাই ২০২৫ খৃষ্টাব্দ মোতাবেক ২৫ মহররম ১৪৪৭ হিজরি) মসজিদুল হারামে জুমার নামাজ পড়ান শায়খ ড. মাহের বিন হামাদ আল-মুয়াইকিলি।
তার জন্ম ১৯৬৯ সালের সাত জানুয়ারি সৌদি আরবের মদিনা মুনাওওরায়। ১৪২৫ হিজরিতে
আল্লাহর কাছে মোনাজাত বা দোয়া করার সময় হাত ওঠানো জরুরি নয়। হাত না উঠিয়েও দোয়া করা যায়। হাত না উঠিয়েও আল্লাহর কাছে নিজের যে কোনো প্রয়োজন তুলে ধরা যায় বা ক্ষমা প্রার্থনা করা যায়। তবে