নবীজি (সা.) একটি দোয়ায় চার ধরনের মানুষের ক্ষতি থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চেয়েছেন। আবু হোরায়রা (রা.) বলেন, নবীজির (সা.) দোয়াসমূহের মধ্যে অন্যতম হলো এই দোয়াটি:
اللَّهُمَّ إنِّي أّعُوذُ بِكَ مِنْ جَارِ السُّوءِ، وَمِنْ زَوْجٍ تُشَيِّبُنِي قَبْلَ
উচ্চারণ : সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি, সুবহানাল্লাহিল আজিম। অর্থ : মহান সেই আল্লাহ এবং তারই সকল প্রশংসা। মহান সেই আল্লাহ যিনি সর্বোচ্চ মর্যাদার অধিকারী।
তাৎপর্য সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি এর অর্থ হলো, আল্লাহর প্রশংসাসহ তাঁর পবিত্রতা ঘোষণা করছি।
এই
রিজিক বৃদ্ধির শ্রেষ্ঠ আমল ইস্তেগফার। ইস্তেগফারের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার প্রতি বান্দার ইমান, আনুগত্য ও মুখাপেক্ষিতা প্রকাশ পায়। আল্লাহর প্রতি ভরসা ও নির্ভরতা প্রকাশ পায়। বিনয় ও অহংকারহীনতা প্রকাশ পায়। বান্দা যখন সত্যিকার অনুশোচনা নিয়ে নিজের
لَا إِلَـٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণ : লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যালিমিন।
অর্থ : আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই; আপনি পবিত্র ও মহান। নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত।
যখনই কোনো মুসলিম
জীবনে প্রত্যেক মানুষেরই স্বপ্ন থাকে, লক্ষ্য থাকে, ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা থাকে; কিন্তু বাস্তবতা সব সময় সেই পরিকল্পনা মেনে চলে না, মানুষের কোনো কোনো আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থেকে যায়, কোনো কোনো সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যায়, সবকিছু ঠিক
ঘুম থেকে জেগে উঠে একটি দোয়া পড়লে আল্লাহ তাআলা সব গুনাহ মাফ করে দেন। দোয়াটি হলো:
لا إلهَ إلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَريكَ لَهُ لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ وَهُوَ على كُلّ شئ قَدِيرٌ বাংলা উচ্চারণ: লা
আপনার জীবনে যদি কোনো অভাব আসে, কোনো কিছুর তীব্র প্রয়োজন বোধ করেন, তাহলে কী করবেন? সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা তো করতেই হবে। পাশাপাশি কী দোয়া বা আমলের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার সাহায্য ও তওফিক চাইবেন?
রাসুল (সা.) পরামর্শ
কখনো কখনো চরম দুশ্চিন্তা, জীবনের ব্যর্থতা কিংবা নানামুখী পেরেশানিতে মানুষের মন অশান্ত ও বিষণ্ণ হয়ে ওঠে। এমন অস্থির মুহূর্তে মানসিক প্রশান্তি অর্জনের একমাত্র উপায় মহান আল্লাহর দরবারে নিজেকে সঁপে দেওয়া। আল্লাহ তাআলাই পারেন অশান্ত হৃদয়কে








