সাবিত (রহ.) থেকে বর্ণিত, আনাস (রা.) বলেন, একবার মহানবী (সা.) আমার কাছে এলেন, আমি তখন পাড়ার ছেলেদের সাথে খেলাধুলা করছিলাম। তিনি এসে আমাদের সালাম দিলেন।
তিনি আমাকে কোনো একটা প্রয়োজনে পাঠিয়েছিলেন। ফলে আমার মা আমাকে দীর্ঘক্ষণ
মহান আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন,
وَ اقۡتَرَبَ الۡوَعۡدُ الۡحَقُّ فَاِذَا هِیَ شَاخِصَۃٌ اَبۡصَارُ الَّذِیۡنَ كَفَرُوۡا ؕ یٰوَیۡلَنَا قَدۡ كُنَّا فِیۡ غَفۡلَۃٍ مِّنۡ هٰذَا بَلۡ كُنَّا ظٰلِمِیۡنَ
সরল অনুবাদ : ‘চিরসত্য প্রতিশ্রুত সময় যখন ঘনিয়ে আসবে, তখন হঠাৎ কাফিরদের
পরিবার মানবসমাজের প্রথম ও সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। একটি সুখী, শান্তিপূর্ণ ও আদর্শ সমাজ গঠনের ভিত্তি হলো একটি সুসংগঠিত পরিবার।
কিন্তু বর্তমান সময়ে পারিবারিক কলহ, বিচ্ছেদ, অবিশ্বাস, দায়িত্বহীনতা ও মূল্যবোধের অবক্ষয়ের কারণে অনেক পরিবার ভাঙনের মুখে পড়ছে।
প্রতিদিনের পঠিত আমলগুলোর মধ্যে আল্লাহর কাছে পছন্দনীয় আমল হচ্ছে তাঁর প্রিয় রাসুলের ওপর দরুদ পাঠ করা। ফজিলতপূর্ণ এ দরুদ পাঠের আমল যেকোনো সময়ই করা যায়।
তবে বিশেষ কিছু সময়ের ক্ষেত্রে দরুদ পাঠ করার নির্দেশনা হাদিস শরিফে
সাদ ইবনে আবি ওয়াককাস (রা.) থেকে বর্ণিত তিনি বলেন, একদিন আমরা রাসুলুল্লাহর সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাছে ছিলাম। রাসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, তোমাদের কেউ কি একদিনে এক হাজার নেকি অর্জন করতে পারবে?
একজন সাহাবি বললেন, আমরা
প্রশ্ন: বিপদে পড়লে অনেকে অধৈর্য হয়ে নিজের মৃত্যু কামনা করে। এভাবে নিজের মৃত্যু কামনা করা কি জায়েজ?
উত্তর: ইসলামে নিজের মৃত্যু কামনা করা নিষিদ্ধ। বিপদে পড়লে আল্লাহর কাছে তার রহমত প্রার্থনা করা উচিত, সাহায্য প্রার্থনা করা
সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশে কোরবানি করার রীতি চালু হয়েছিল মানবসভ্যতার একেবারে শুরুতে নবী আদম (আ.)-এর জীবদ্দশাতেই। তবে বর্তমানে পশু কোরবানির যে রীতি মুসলমানদের মধ্যে প্রচলিত রয়েছে, সেটির সঙ্গে ইব্রাহীম (আ.)-এর ইতিহাসই বিশেষভাবে জড়িত বলে জানান ইসলামি চিন্তাবিদেরা।
মুসলমানরা
প্রশ্ন: মৃত ব্যক্তির নামে কোরবানি করা হলে ওই কোরবানির মাংস কি পুরোটা সদকা করে দিতে হবে?
উত্তর: অন্যান্য নফল ইবাদতের মতো মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে নফল কোরবানি করে তার সওয়াবের আশা করা যায়। আয়েশা (রা.) বলেন,








