ইসলামে ‘সদকাতুল ফিতর’ একটি গুরুত্বপূর্ণ আর্থিক ইবাদত। মাহে রমজানের সিয়াম সাধনা শেষে ঈদুল ফিতরের আনন্দ যেন সমাজের সর্বস্তরের মানুষ, বিশেষ করে অভাবী ও দুস্থরা সমানভাবে উপভোগ করতে পারে, সে জন্যই আ—্লাহ তাআলা এই সদকা ওয়াজিব
ইসলামের সামাজিক ও অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় জাকাত একটি মৌলিক স্তম্ভ। এটি কেবল একটি আর্থিক দান নয়; বরং আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্ধারিত একটি ইবাদত, যা ধনীদের সম্পদকে পবিত্র করে এবং সমাজের দরিদ্র মানুষের অধিকার নিশ্চিত করে। পবিত্র
জাকাত কাকে বলে?
জাকাত ইসলামের ফরজ বিধান, ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। প্রত্যেক স্বাধীন, পূর্ণবয়স্ক ও সম্পদশালী মুসলমান পুরুষ ও নারীর প্রতি বছর নিজের সম্পদের একটি নির্দিষ্ট অংশ দরিদ্র-দুঃস্থদের মধ্যে বিতরণের নিয়মকে জাকাত বলা হয়। শরিয়ত নির্ধারিত সীমার
জাকাতের শাব্দিক অর্থ হলো- পবিত্রতা, প্রবৃদ্ধি, বিকাশ ও উন্নতি। যেহেতু জাকাত মানুষকে কৃপণতা, গুনাহ ও আজাব হতে পবিত্র ও মুক্ত করে এবং সার্বিক পবিত্রতা, সম্পদের উন্নতি এবং অন্তরের স্বচ্ছতা ও পবিত্রতার কারণ হয়, তাই এই
নিজের সন্তানকে জাকাত দেওয়া যায় না। সন্তান প্রাপ্তবয়স্ক হলেও তাকে জাকাত দেওয়া যাবে না। তাই সন্তানের পড়াশোনাসহ তাদের যে কোনো প্রয়োজনে নিজের জাকাতের অর্থ ব্যয় করলে জাকাত আদায় হবে না। নিজের বাবা-মা, নানা-নানি, দাদা-দাদি ও
ইসলামে জাকাত দেওয়ার কিছু নির্দিষ্ট খাত আছে। যে কোনো নেক কাজে খরচ করলে জাকাত আদায় হয় না। ঋণ পরিশোধ জাকাতের অর্থ ব্যয়ের অন্যতম খাত। কোরআনে আল্লাহ তাআলা জাকাতের অর্থ ব্যয়ের খাতসমূহের মধ্যে ঋণগ্রস্তদের কথা স্পষ্টভাবে
জাকাত ইসলামের ফরজ বিধান, ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। প্রত্যেক স্বাধীন, পূর্ণবয়স্ক ও সম্পদশালী মুসলমান পুরুষ ও নারীর প্রতি বছর নিজের সম্পদের একটি নির্দিষ্ট অংশ দরিদ্র-দুস্থদের মধ্যে বিতরণের নিয়মকে জাকাত বলা হয়। শরিয়ত নির্ধারিত সীমার বেশি সম্পদ
জাকাত ইসলামের ফরজ বিধান, ইসলামের পঞ্চস্তম্ভের একটি। প্রত্যেক স্বাধীন, পূর্ণবয়স্ক ও সম্পদশালী মুসলমান পুরুষ ও নারীর প্রতি বছর নিজের সম্পদের একটি নির্দিষ্ট অংশ দরিদ্র-দুস্থদের মধ্যে বিতরণের নিয়মকে জাকাত বলা হয়। শরিয়ত নির্ধারিত সীমার বেশি সম্পদ






