প্রশ্ন: রমজানে ইতেকাফরত অবস্থায় কি মোবাইল ব্যবহার করা যাবে?
উত্তর: ইতেকাফরত অবস্থায় মোবাইল ব্যবহার করা নিষিদ্ধ নয় এবং মোবাইল ব্যবহার করলে ইতেকাফ ভেঙে যাবে না। তবে ইতেকাফরত অবস্থায় ইতেকাফকারীর উচিত এমন প্রতিটি বিষয় বর্জন করা যা
ইতেকাফ ইসলামে ফজিলতপূর্ণ একটি আমল। আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একদিন ইতেকাফ করবে, আল্লাহ তাআলা তার ও জাহান্নামের মধ্যে তিনটি পরিখা সৃষ্টি করে দেবেন, যার একটির দূরত্ব আসমান জমিনের
আমরা সবাই মৃত্যুর দিকে এগোচ্ছি। আর মৃত্যুর পর মুখোমুখি হতে হবে অনন্ত পরকালের। সেখানে খোলা হবে আমলনামা তথা আমাদের জীবনের হিসাবের খাতা। ছোট-বড়, জানা-অজানা সব গুনাহের হিসাব মিলবে। সেই কঠিন হিসাবের খাতা থেকে গুনাহগুলোকে পুড়িয়ে
আল্লাহ তায়ালার কাছে ইবাদত গ্রহণযোগ্য হওয়ার প্রথম শর্ত হলো হালাল উপার্জন। হালাল খাদ্যগ্রহণ। হারাম সন্দেহজনক ও অবৈধ খাবার থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে না পারলে কোনো ইবাদত, দোয়া ও আমল আল্লাহর কাছে গ্রহণযোগ্য হবে না। মক্কা শরিফের
আল্লাহর রাসুল (সা.) শাবান মাস থেকেই রমজানের জন্য প্রস্তুত হতেন। তিনি শাবান মাসে অন্য মাসগুলোর তুলনায় বেশি রোজা রাখতেন, বেশি নফল ইবাদত করতেন।
আব্দুল্লাহ ইবনে আবি কায়স (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাছে অন্যান্য
অসুস্থতা, সফর ইত্যাদি গ্রহণযোগ্য শরঈ ওজর থাকলে রমজানে রোজা ভেঙে পরবর্তীতে কাজা করা যায়। আল্লাহ তাআলা বলেন, রমজান মাস, যাতে কুরআন নাযিল করা হয়েছে মানুষের জন্য হিদায়াতস্বরূপ এবং হিদায়াতের সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী ও সত্য-মিথ্যার পার্থক্যকারীরূপে। সুতরাং
চলতি বছরের রমজান মাসে ওমরাহ পালনের পরিকল্পনা করা মুসল্লিদের জন্য বাড়তি দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ক্রমবর্ধমান ব্যয়। ট্যুর অপারেটররা সতর্ক করে জানিয়েছেন, এখনই বুকিং সম্পন্ন না করলে রমজান ঘনিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ওমরাহ প্যাকেজের দাম






