সৃষ্টিকর্তা ও পালনকর্তা মহান রাব্বুল আলামিনের পর একজন মানুষের ওপর সবচেয়ে বেশি ইহসান ও অনুগ্রহ থাকে তার বাবা-মায়ের। মা সন্তানকে গর্ভে ধারণ করেন, জন্মদান করেন, স্তন্যদান করেন, কোলে-পিঠে বড় করেন। বাবা দিনরাত পরিশ্রম করে তার
নেক সন্তান আল্লাহর অনেক বড় নেয়ামত। এই জীবনে যেমন নেক সন্তান চোখের শীতলতা ও সওয়াবের কারণ হয়, মৃত্যুর পরও নেক সন্তানের কারণে মানুষের সওয়াব জারি থাকে। আল্লাহর রাসুল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, আদম সন্তান যখন
যে কোনো বিপদ আপদে মুমিনের কর্তব্য হলো ধৈর্য ধারণ করা ও আল্লাহর সহায্য প্রার্থনা করা। আল্লাহই মুমিনের চূড়ান্ত ভরসাস্থল। দোয়ার মাধ্যমে আল্লাহর কাছে সাহায্য প্রার্থনার পাশাপাশি মুমিনের ঈমানও প্রকাশ পায়। আল্লাহর প্রতি তার ভরসা ও
তওবা মানে ফিরে আসা; সঠিক পথে ফিরে আসা, আল্লাহর পথে ফিরে আসা, জান্নাতের পথে ফিরে আসা। মানুষ যখন গুনাহ করে, আল্লাহর অবাধ্যতায় লিপ্ত হয়, তখন সে জাহান্নামের পথে এগিয়ে যায়। গুনাহের জন্য অনুশোচিত হয়ে ক্ষমাপ্রার্থনা
ইসলাম একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা, যা কেবল আত্মিক ও নৈতিক উন্নতির দিশা দেয় না, বরং রাষ্ট্র, সমাজ, রাজনীতি ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা প্রদান করে। আত্মরক্ষা ও উম্মাহর স্বাধীনতা রক্ষার্থে সামরিক শক্তির গুরুত্ব অপরিসীম। ইসলাম কখনো
জুলুম এক মহা অপরাধ। জুলুমকারীদের জন্য আখেরাতে কঠিন শাস্তি অপেক্ষা করছে। তারা তাদের অপকর্মের জন্য ক্ষমা পাবে না। যারা নিজেদের জুলুমকারী হিসেবে গর্ববোধ করে, তারা প্রকৃত পক্ষে হতভাগ্য। হজরত আবু মুসা (রা.) বলেন, রসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু