শয়তান মানুষের চিরশত্রু। সে যুগে যুগে মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে বিচ্যুত করার চেষ্টা করছে। কখনো কুমন্ত্রণা দিয়ে, কখনো পাপকে সুন্দর করে দেখিয়ে, আবার কখনো হতাশা ও সন্দেহ সৃষ্টি করে সে মানুষের ঈমান ও আমলকে ক্ষতিগ্রস্ত করছে।
আকাশে যখন মেঘ জমে, মাঠ-ঘাট শুকিয়ে যায়, নদী-নালা পানিশূন্য হয়ে পড়ে এবং মানুষ বৃষ্টির জন্য অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করে, তখন একজন মুমিনের হৃদয় সর্বপ্রথম মুখাপেক্ষী হয় আসমান-জমিনের মালিক মহান আল্লাহর দিকে। কারণ বৃষ্টি আল্লাহ তাআলার
আত্মকেন্দ্রিকতা এমন এক মানসিক অবস্থার নাম, যেখানে ব্যক্তি নিজের চিন্তাভাবনা, অনুভূতি এবং চাওয়া-পাওয়াকে অধিক গুরুত্ব দেয়। অতিমাত্রায় আত্মকেন্দ্রিক মানুষরা নিজের দৃষ্টিভঙ্গি থেকেই শুধু পৃথিবীকে দেখেন এবং অন্যদের মতামত বা আবেগের প্রতি সংবেদনশীল হতে প্রায়শই ব্যর্থ
পবিত্র মক্কার হেরা কালচারাল ডিস্ট্রিক্টে অবস্থিত পবিত্র কোরআন জাদুঘরে প্রদর্শিত হচ্ছে হাতে লেখা বিরল এক পাণ্ডুলিপি। মাত্র ৬০ পৃষ্ঠার এই কোরআনের প্রতিটি পাতায় একটি করে সম্পূর্ণ পারা অত্যন্ত শৈল্পিকভাবে বিন্যস্ত করা হয়েছে।
রোববার (১০ মে) সৌদি
দিনের শুরু ও শেষ—এই দুই সময় মানুষের জীবনে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সকাল নতুন আশা, কর্ম ও সফলতার বার্তা নিয়ে আসে; আর সন্ধ্যা মানুষকে আত্মসমালোচনা ও আল্লাহর দিকে ফিরে আসার সুযোগ করে দেয়। একজন মুমিনের প্রকৃত সফলতা
হাজার রজনির শ্রেষ্ঠ রজনি পবিত্র লাইলাতুল কদর বা শবেকদর আজ সোমবার। মুসলমানদের কাছে এটি অত্যন্ত মহিমান্বিত ও পুণ্যময় একটি রাত। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের আশায় ইবাদত-বন্দেগি, কোরআন তিলাওয়াত ও জিকির-আসকারের মধ্য দিয়ে রাতটি
প্রাক-ইসলামি যুগে আরবি ভাষায় কোনো যতিচিহ্ন ছিল না। কোথায় থামতে হবে তা আরবরা বাক্যের অর্থ দেখে বুঝতে পারত। পবিত্র কোরআনেও কোনো যবর-যের-পেশ, নোকতা ও ওয়াকফের চিহ্ন ছিল না। কিন্তু যখন এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপে ইসলাম
প্রশ্ন: অজু ছাড়া মোবাইলে কোরআন পড়া যাবে কি?
উত্তর: মুখস্ত কোরআন তিলাওয়াতের জন্য গোসল থাকা আবশ্যক হলেও অজু থাকা আবশ্যক নয়। অজু না থাকা অবস্থায়ও কোরআন স্পর্শ না করে তিলাওয়াত করা যায়। অজু না থাকা অবস্থায়








