`আল্লাহ যা করেন, মঙ্গলের জন্যই করেন এই কথাটির অর্থ হলো বান্দার জন্য মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন যা কিছু সিদ্ধান্ত নেন, তার অন্তরালে কোনো না কোনো কল্যাণ বা মঙ্গল লুকিয়ে থাকে। রবের প্রতি মানুষের এই সুধারণা
যখন কারও সাথে আমাদের সম্পর্ক ভালো থাকে, তখন তো আমাদের আচরণ সাধারণত ভালোই থাকে। কিন্তু যখনই সম্পর্কের অবনতি ঘটে, কেউ কষ্ট দেয় কিংবা পারস্পরিক দূরত্ব সৃষ্টি হয়, তখন আমরা কেমন প্রতিক্রিয়া দেখাচ্ছি, আমরা কীভাবে সেই
মানুষের জীবনে কখনো কখনো এমন কিছু সমস্যা দেখা দেয়, যখন চিকিৎসা কোনো কাজে আসে না। কেননা এক্ষেত্রে কখনো কখনো কালো জাদু, বান ও বদনজরের মতো আধ্যাত্মিক কিছু বিষয় থেকে থাকে।
তাই সেসব ক্ষেত্রে ইসলামী রুকাইয়াহর মাধ্যমে
শরীর সুস্থ রাখা ইসলামের দৃষ্টিতে শুধু দুনিয়াবি প্রয়োজন নয়; বরং এটি আল্লাহর দেওয়া আমানতের যথাযথ হক আদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একজন মুমিনের শক্তি, কর্মক্ষমতা ও সুস্থতা তাকে ইবাদত, দাওয়াত, জিহাদ, জীবিকা অর্জন এবং মানবসেবার কাজে
আমাদের অনেকের মধ্যেই প্রায়ই এই ভুল ধারণা বা মানসিকতা কাজ করে যে, আমার ভেতরে এখন ইমানের সেই জোর বা অনুভূতি নেই, তাই ইমানি অনুভূতিটা একটু আসুক, তারপর আমি আমল শুরু করব। আমরা ভাবি যে, ইমানের
বর্তমান যুগ তথ্য-প্রযুক্তির যুগ। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম মানুষের জীবনকে যেমন সহজ করেছে, তেমনি সৃষ্টি করেছে নানাবিধ নৈতিক ও ধর্মীয় চ্যালেঞ্জ।
ফেসবুক, টেলিগ্রাম, হোয়াটসঅ্যাপ কিংবা অন্যান্য অনলাইন প্ল্যাটফরমে অনেকেই প্রকৃত পরিচয় গোপন করে ভিন্ন পরিচয়ে অ্যাকাউন্ট ব্যবহার
কুরবানি ইসলামের গুরুত্বপূর্ণ ইবাদতগুলোর একটি। কিন্তু যৌথ পরিবারে বসবাসকারী অনেকের মাঝেই একটি প্রচলিত প্রশ্ন রয়েছে— পরিবারের প্রধান ব্যক্তি কুরবানি দিলে কি সবার পক্ষ থেকে আদায় হয়ে যায়? কেউ কেউ মনে করেন, এক বাড়িতে থাকলে একটি
প্রশ্ন: কোরবানিতে সব শরিকের অংশ সমান হওয়া জরুরি? যদি দুইজন শরিকের মধ্যে একজন তিন নাম দেন, আরেকজন চার নাম দেন, তাহলে কি কোরবানি হবে না?
উত্তর: উট, গরু ও মহিষ এ তিন পশু সর্বোচ্চ সাতটি নামে







