মহানবীর (সা.) প্রিয় সাহাবি আবু সালামা (রা.) শহীদ হওয়ার পর তিনি যখন তাকে দেখতে যান, তখন তিনি তার জন্য এভাবে দোয়া করেন,
اللَّهُمَّ اغْفِرْ لأَبِي سَلَمَةَ وَارْفَعْ دَرَجَتَهُ فِي الْمَهْدِيِّينَ وَاخْلُفْهُ فِي عَقِبِهِ فِي الْغَابِرِينَ وَاغْفِرْ
শক্তি ও ক্ষমতা থাকার পরও ক্ষমা প্রদর্শন ইসলামের একটি মহান সৌন্দর্য। আল্লাহপাক নিজেও ক্ষমাশীল এবং তিনি ক্ষমাকারীদের ভালোবাসেন। ক্ষমা, বিশেষ করে বদলা নেওয়ার শক্তি ও ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও ক্ষমা করতে পারা মানুষের অন্যতম প্রধান মহৎ
মানুষ কখনো নিশ্চিতভাবে জানতে পারে না যে আল্লাহ তাআলা তাকে তার কৃত পাপের জন্য ক্ষমা করেছেন কিংবা এখনো ক্ষমা করেননি। কারণ বিষয়টি গায়েব বা অদৃশ্য জগতের অন্তর্ভুক্ত, যা শুধু আল্লাহই জানেন। এটি মানুষের জ্ঞানের সীমার
মহানবী (সা.) থেকে বর্ণিত রিজিক বৃদ্ধির দুটি দোয়া:
১. হালাল রিজিক ও মানুষের মুখাপেক্ষিতা থেকে মুক্তি পেতে মুক্তি পেতে এ দোয়াটি পড়ুন:
اَللّهُمَّ اكْفِنِى بِحَلَالِكَ عَنْ حَرَامِكَ وَاغْنِنِى بِفَضْلِكَ عَمَّنْ سِوَاكَ উচ্চারণ: আল্লাহুমমাকফিনি বিহালালিকা আন হারামিকা ওয়াগনিনী
প্রশ্ন: তাবিজ ঝোলানো কি শিরক?
উত্তর: জাগতিক চিকিৎসা ও ওষুধপত্রের বাইরে আল্লাহর শক্তি ছাড়া অন্য কোনো অদৃশ্য বা অলৌকিক শক্তিকে ক্ষমতাবান মনে করা, সুস্থতার কারণ মনে করা, আল্লাহর সমান শক্তিমান মনে করা শিরক। তাবিজকে সত্তাগত শক্তিতে
মনের অশান্তি দূর করতে আল্লাহর রাসুল (সা.) থেকে বর্ণিত এই ৪টি দোয়া পড়তে পারেন:
১ حَسْبِيَ اللَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا هُوَ عَلَيْهِ تَوَكَّلْتُ وَهُوَ رَبُّ الْعَرْشِ الْعَظِيمِ উচ্চারণ: হাসবিয়াল্লাহু লা ইলাহা ইল্লা হু আলাইহি তাওয়াক্কালতু ওয়া
আল্লাহর নবী ইবরাহিমকে (আ.) আবুল আম্বিয়া বা নবীদের পিতা বলা হয়। আল্লাহ তাআলা তার বংশের বহু সংখ্যাক ব্যক্তিকে নবুয়্যত দিয়ে সম্মানিত করেছেন। আল্লাহর শেষ নবী হজরত মুহাম্মাদও (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়সাল্লাম) তার বংশধর।
নবী ইবরাহিম (আ.) সব সময়
ইসলামে শুক্রবার বা জুমার দিন দিনসমূহের মধ্যে সর্বশ্রেষ্ঠ। মহানবী (সা.) বলেন, দিনসমূহের মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হলো জুমার দিন। এই দিন আল্লাহ তাআলা আদমকে (আ.) সৃষ্টি করেছেন। তাকে দুনিয়াতে নামানো হয়েছে এই দিন। তার মৃত্যুও হয়েছে








