জুমার দিন দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে গণ্য করা হয়। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত নবীজি (সা.) বলেছেন, পৃথিবীর যতদিন সূর্য উদিত হবে তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হলো শুক্রবার। এ দিনে আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা
মানুষের জীবনে কখনো কখনো এমন কিছু সমস্যা দেখা দেয়, যখন চিকিৎসা কোনো কাজে আসে না। কেননা এক্ষেত্রে কখনো কখনো কালো জাদু, বান ও বদনজরের মতো আধ্যাত্মিক কিছু বিষয় থেকে থাকে।
তাই সেসব ক্ষেত্রে ইসলামী রুকাইয়াহর মাধ্যমে
প্রশ্ন: আশুরার রোজা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ বলে জানি। আবার আমার কিছু কাজা রোজাও রয়ে গেছে যেগুলো আদায় হয়নি। আমি যদি আশুরার দিন রোজা রাখি, নিয়তের সময় আশুরার রোজা ও একটি কাজা রোজা রাখারও নিয়ত করি, তাহলে
শরীর সুস্থ রাখা ইসলামের দৃষ্টিতে শুধু দুনিয়াবি প্রয়োজন নয়; বরং এটি আল্লাহর দেওয়া আমানতের যথাযথ হক আদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একজন মুমিনের শক্তি, কর্মক্ষমতা ও সুস্থতা তাকে ইবাদত, দাওয়াত, জিহাদ, জীবিকা অর্জন এবং মানবসেবার কাজে
আমাদের অনেকের মধ্যেই প্রায়ই এই ভুল ধারণা বা মানসিকতা কাজ করে যে, আমার ভেতরে এখন ইমানের সেই জোর বা অনুভূতি নেই, তাই ইমানি অনুভূতিটা একটু আসুক, তারপর আমি আমল শুরু করব। আমরা ভাবি যে, ইমানের
মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো আল্লাহ তাআলার রহমত। কারণ আল্লাহর রহমত ছাড়া কোনো মানুষ দুনিয়ায় প্রকৃত সফলতা লাভ করতে পারে না, আর আখিরাতে নাজাত পাওয়াও সম্ভব নয়।
তাই একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা হওয়া উচিত
দুনিয়ার জীবন ক্ষণস্থায়ী, কিন্তু আখিরাত চিরস্থায়ী। একজন বুদ্ধিমান মুমিন সেই ব্যক্তি, যিনি মৃত্যুর আগেই নিজের জন্য এমন কিছু আমল রেখে যান যা কবরের অন্ধকারেও তার জন্য নূর হয়ে থাকবে।
একটি মসজিদ, একটি নলকূপ, একটি কোরআন, একটি
আবু কাতাদাহ হারিস ইবনে রিবয়ি (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার মহানবী (সা.) দাঁড়িয়ে বক্তব্য দিলেন। বললেন, সর্বোত্তম আমল হলো আল্লাহর উপর ঈমান এবং জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহ।
এটা শুনে এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ, আপনি







