প্রতিশোধের অন্তর্নিহিত তাগিদকে নিয়ন্ত্রণ করতে শিখুনকোরবানিদাতার জন্য যেসব কাজ নিষিদ্ধনামাজ শেষে সালাম ফেরানোর পর জিকির ও দোয়াহজে সাফা-মারওয়া ‘সায়ী’র নিয়মবন্যার্তদের সেবায় ইসলামের নির্দেশনা
No icon

হৃদয়কে হালকা রাখুন

এক. আপনার হৃদয়ে ক্ষোভ এবং খারাপ অনুভূতি রাখবেন না। এটি আপনাকে হতাশ করবে এবং আপনাকে ভারাক্রান্ত করবে। এটি প্রকৃত কিছুরই পরিবর্তন করবে না এবং আপনি কষ্ট ভোগ করতে থাকবেন। এসবকে যেতে দিন। আপনার হৃদয়কে হালকা রাখুন। আর সর্বশক্তিমানকে এটা দেখতে দিন। এতে আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে এবং সর্বশক্তিমানে আপনার বিশ্বাস শক্তিশালী হবে।


পুনশ্চঃ এক. আপনি কি মনে করেন যে রাস্তার শেষ প্রান্তে এসে পড়েছেন? যখন সব কিছু বন্ধ হয়ে যায় বলে মনে হয় এবং আপনি হেরে গেছেন এমন ভাবনা শুরু করেন, তখন আবার চিন্তা করুন। সর্বশক্তিমানের ক্ষমতার কোনো সীমা-পরিসীমা আছে কি? তিনি বিশ্বজগতের পালনকর্তা। আপনি কি ভাবেন যে তিনি এখন আপনাকে পরিত্যাগ করবেন? তাকে দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করুন।


দুই. আপনি যখন নিজের পাপের জন্য অনুশোচনা করেন, এগুলোর কথা মনে এলে তার জন্য দুঃখ বোধ করেন এবং যখন আপনি এসবের কথা স্মরণ করেন তখন ব্যথা অনুভব করেন, এটি আপনার ঈমান এবং আন্তরিক অনুশোচনার লক্ষণ। তবে অনুতপ্ত হওয়ার পরে শয়তান আপনাকে সর্বশক্তিমানের আপনার প্রতি করুণার ব্যাপারে সন্দেহ জাগাতে চেষ্টা করবে। হতাশ হবেন না, তার ফাঁদে পড়বেন না! সামনে এগিয়ে যান