জীবনে প্রত্যেক মানুষেরই স্বপ্ন থাকে, লক্ষ্য থাকে, ভবিষ্যতের জন্য পরিকল্পনা থাকে; কিন্তু বাস্তবতা সব সময় সেই পরিকল্পনা মেনে চলে না, মানুষের কোনো কোনো আকাঙ্ক্ষা অপূর্ণ থেকে যায়, কোনো কোনো সুযোগ হাতছাড়া হয়ে যায়, সবকিছু ঠিক
لَا إِلَـٰهَ إِلَّا أَنتَ سُبْحَانَكَ إِنِّي كُنتُ مِنَ الظَّالِمِينَ
উচ্চারণ : লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনায যালিমিন।
অর্থ : আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই; আপনি পবিত্র ও মহান। নিশ্চয়ই আমি জালিমদের অন্তর্ভুক্ত।
যখনই কোনো মুসলিম
আপনার জীবনে যদি কোনো অভাব আসে, কোনো কিছুর তীব্র প্রয়োজন বোধ করেন, তাহলে কী করবেন? সাধ্য অনুযায়ী চেষ্টা তো করতেই হবে। পাশাপাশি কী দোয়া বা আমলের মাধ্যমে আল্লাহ তাআলার সাহায্য ও তওফিক চাইবেন?
রাসুল (সা.) পরামর্শ
ঘুম থেকে জেগে উঠে একটি দোয়া পড়লে আল্লাহ তাআলা সব গুনাহ মাফ করে দেন। দোয়াটি হলো:
لا إلهَ إلاَّ اللَّهُ وَحْدَهُ لا شَريكَ لَهُ لَهُ المُلْكُ وَلَهُ الحَمْدُ وَهُوَ على كُلّ شئ قَدِيرٌ বাংলা উচ্চারণ: লা
কখনো কখনো চরম দুশ্চিন্তা, জীবনের ব্যর্থতা কিংবা নানামুখী পেরেশানিতে মানুষের মন অশান্ত ও বিষণ্ণ হয়ে ওঠে। এমন অস্থির মুহূর্তে মানসিক প্রশান্তি অর্জনের একমাত্র উপায় মহান আল্লাহর দরবারে নিজেকে সঁপে দেওয়া। আল্লাহ তাআলাই পারেন অশান্ত হৃদয়কে
আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে বন্ধন সুদৃঢ় করতে উৎসাহিত করে ইসলাম। ইসলাম আত্মীয়-স্বজনের সঙ্গে সদাচারের নির্দেশ দিয়েছে।এটি ইসলামের সামাজি ক শিক্ষার একটি মৌলিক দিক। মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে বলেছেন, ‘আর তোমরা নিকটাত্মীয়, মিসকিন ও মুসাফিরদের হক আদায় কোরো
পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) আজ বুধবার। মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর জন্ম এবং ওফাতের পুণ্য স্মৃতিময় দিন। ৫৭০ খ্রিষ্টাব্দে, আরবি বর্ষের রবিউল আউয়াল মাসের ১২ তারিখে তাঁর জন্ম হয়। ৬৩ বছরের জীবনে ইহকালীন ও পরকালীন মুক্তির
সম্প্রতি এক ইসলামি প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠানে এক ব্যক্তি শায়খ আহমাদুল্লাহকে প্রশ্ন করেন, ঈদে মিলাদুন্নবী উপলক্ষে আমাদের করণীয় কী? রবিউল আউয়াল মাস চলছে, এই মাসে আমরা কী কী আমল করব?
উত্তরে শায়খ আহমাদুল্লাহ বলেন,
হিজরী বর্ষের মাসগুলোর মধ্যে রবিউল








