পাতরাইল মসজিদ বা মজলিশ আউলিয়া মসজিদ ফরিদপুর জেলার ভাঙ্গা উপজেলার অন্তর্গত আজিমনগর ইউনিয়নের পাতরাইল গ্রামে অবস্থিত একটি প্রাচীন মসজিদ। মসজিদটি দীঘিরপাড় আউলিয়া মসজিদ নামেও সুপরিচিত। এটি গিয়াসউদ্দিন আজম শাহ ১৩৯৩ খ্রিষ্টাব্দ থেকে ১৪১০ খ্রিষ্টাব্দের মধ্যে
পবিত্র কোরআনে আল্লাহ বিলকিস নামে ইয়েমেনের এক নারীর গল্প বলেছেন। বিলকিস হজরত সোলায়মান (আ.)-এর যুগে বিস্তীর্ণ অঞ্চলের সম্রাজ্ঞী ছিলেন। সোলায়মান (আ.) বিলকিসের সাম্রাজ্যের কথা জানতেন না। তিনি তাঁর গোয়েন্দা পাখি হুদহুদের মাধ্যমে জানতে পারেন, কারো
বর্তমান শতকের শ্রেষ্ঠ মুহাদ্দিস হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। হাদীস গবেষণায় যিনি বর্তমান পৃথিবীতে একজন আলোড়ন সৃষ্টিকারী মহান ব্যক্তি। ইলম চর্চায় তার জীবনীতে আমাদের প্রেরণার যথেষ্ট খোরাক রয়েছে। প্রবল ইচ্ছা শক্তি, অসীম সাহস, সুদৃঢ় মনোবল আর
ভারতের মুসলমানরা সম্পূর্ণ অনিরাপদ হয়ে পড়েছে। তাদের অস্তিত্বের সংকট দেখা দিয়েছে। কবে ভারতে মুসলমান বসতি শুরু হয়েছিল, দিন-তারিখ ধরে তা বলা সম্ভব না হলেও ইতিহাসবিদরা একমত, ইসলামের নবী হযরত মুহম্মদ (সা.) এর ইন্তেকালের পর
আল-বেরুনী'র সম্পূর্ণ নাম আবু রায়হান আল-বেরুনী বা আবু রায়হান মোহাম্মাদ ইবনে আহমদ আল-বেরুনী। তিনি সাধারণত আল-বেরুনী নামে পরিচিত। তিনি ইসলামী স্বর্ণযুগে একজন খাওয়ারেজমিয় ইরানী পণ্ডিত এবং বহুবিদ্যাবিশারদ ছিলেন। তাকে বিভিন্নভাবে " ইন্ডোলজির প্রতিষ্ঠাতা", "
মহানবী মেহমানদারি করা পছন্দ করতেন। সাহাবিদের মেহমানদারি করতে বলতেন। মেহমানের গুরুত্ব ও ফজিলত বোঝাতেন। তিনি বলেন, যে ব্যক্তি আল্লাহ ও আখিরাত দিবসের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন তার মেহমানকে সম্মান করে। যে ব্যক্তি আল্লাহ ও
ইথিওপিয়ার রাজধানী আদ্দিস আবাবা থেকে ৭৯০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত একটি ছোট্ট শহর নেগাস। দেশটির উত্তর সীমান্তে এর অবস্থান। ছোট্ট এই শহর মুসলিম ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কেননা মক্কার নিপীড়িত মুসলিমরা সর্বপ্রথম এই শহরেই আশ্রয় নিয়েছিল
বায়তুল মুকাদ্দাস বা মসজিদুল আকসা ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ। বায়তুল মুকাদ্দাস অর্থ পবিত্র ঘর। মসজিদুল আকসা অর্থ দূরবর্তী মসজিদ। মসজিদুল হারামের অবস্থান থেকে মসজিদুল আকসা দূরে অবস্থিত হওয়ায় বায়তুল মুকাদ্দাসকে কোরআনে মসজিদুল আকসা বলা হয়েছে।







