ইস্তেগফার আল্লাহ তাআলার ক্ষমা পাওয়ার উপায়। এ ছাড়া এটি একটি পৃথক ইবাদতও বটে। সজ্ঞানে কোনো গুনাহ না করলেও জানা-অজানা, ছোট বড় সব গুনাহের জন্য সব সময় আল্লাহ তাআলার কাছে ইস্তেগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকা
আল্লাহ তায়ালা তার বান্দাদের জন্য রহমত লাভের যেসব উপায় রেখেছেন তার মধ্যে সবচেয়ে সহজ একটি হলো বেশি বেশি আল্লাহর জিকির ও দোয়া করা। তাই অনেক সময় অল্প কয়েকটি শব্দের একটি জিকিরও আল্লাহর কাছে এত প্রিয়
জুমার দিন দুনিয়ার শ্রেষ্ঠ দিন হিসেবে গণ্য করা হয়। হযরত আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত নবীজি (সা.) বলেছেন, পৃথিবীর যতদিন সূর্য উদিত হবে তার মধ্যে শ্রেষ্ঠ দিন হলো শুক্রবার। এ দিনে আদমকে (আ.) সৃষ্টি করা
মানুষের জীবনে কখনো কখনো এমন কিছু সমস্যা দেখা দেয়, যখন চিকিৎসা কোনো কাজে আসে না। কেননা এক্ষেত্রে কখনো কখনো কালো জাদু, বান ও বদনজরের মতো আধ্যাত্মিক কিছু বিষয় থেকে থাকে।
তাই সেসব ক্ষেত্রে ইসলামী রুকাইয়াহর মাধ্যমে
প্রশ্ন: আশুরার রোজা অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ বলে জানি। আবার আমার কিছু কাজা রোজাও রয়ে গেছে যেগুলো আদায় হয়নি। আমি যদি আশুরার দিন রোজা রাখি, নিয়তের সময় আশুরার রোজা ও একটি কাজা রোজা রাখারও নিয়ত করি, তাহলে
শরীর সুস্থ রাখা ইসলামের দৃষ্টিতে শুধু দুনিয়াবি প্রয়োজন নয়; বরং এটি আল্লাহর দেওয়া আমানতের যথাযথ হক আদায়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। একজন মুমিনের শক্তি, কর্মক্ষমতা ও সুস্থতা তাকে ইবাদত, দাওয়াত, জিহাদ, জীবিকা অর্জন এবং মানবসেবার কাজে
আমাদের অনেকের মধ্যেই প্রায়ই এই ভুল ধারণা বা মানসিকতা কাজ করে যে, আমার ভেতরে এখন ইমানের সেই জোর বা অনুভূতি নেই, তাই ইমানি অনুভূতিটা একটু আসুক, তারপর আমি আমল শুরু করব। আমরা ভাবি যে, ইমানের
মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো আল্লাহ তাআলার রহমত। কারণ আল্লাহর রহমত ছাড়া কোনো মানুষ দুনিয়ায় প্রকৃত সফলতা লাভ করতে পারে না, আর আখিরাতে নাজাত পাওয়াও সম্ভব নয়।
তাই একজন মুমিনের সবচেয়ে বড় আকাঙ্ক্ষা হওয়া উচিত







