রোজা ইসলামের পঞ্চমস্তম্ভের অন্যতম এবং ফরজ বিধান। তবে রোজা ফরজ হওয়া এবং তা আদায় করা আবশ্যক হওয়ার জন্য কিছু শর্ত রয়েছে। নিম্নে তা আলোচনা করা হলো।
যাদের ওপর রোজা ফরজ
ইসলামী শরিয়তের দৃষ্টিতে ব্যক্তির ভেতর তিনটি শর্ত
ইফতার অর্থ রোজা ভাঙা। রমজানে বা অন্যান্য সময় সারাদিন রোজা রাখার পর কিছু খাবার খেয়ে রোজা ভাঙাকে ইফতার বলা হয়। রোজা শেষে দ্রুত ইফতার করা নবিজির (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সুন্নত। নবিজি (সা.) দ্রুত ইফতার করতে
যে সব মায়েরা শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান, অনেক রময় তাদের জন্য রোজা রাখা কষ্টকর হয়। কারণ দুধ খাওয়ানোর কারণে তারা তীব্র ক্ষুধাবোধ করেন, বারবার খেতে হয়। পর্যাপ্ত খাবার না খেলে শিশু দুধ না পাওয়ার কারণে
আল্লাহর রাসুল (সা.) শাবান মাস থেকেই রমজানের জন্য প্রস্তুত হতেন। তিনি শাবান মাসে অন্য মাসগুলোর তুলনায় বেশি রোযা রাখতেন, বেশি নফল ইবাদত করতেন। আব্দুল্লাহ ইবনে আবি কায়স (রা.) বলেন, আল্লাহর রাসুলের (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কাছে
রহমত, মাগফিরাত আর নাজাতের সওগাত নিয়ে আসছে পবিত্র মাহে রমজানুল মোবারক। রমজান মাসের আমল ও এবাদতের গুরুত্ব অপরিসীম। তবে যে মাসের সমাপ্তীতে এই মহিমান্বিত মাসের আগমন সেই শাবান মাসের ও রয়েছে বিশেষ গুরুত্ব ও
কোন কোন আলেম রজব মাসে পশু জবাই মোস্তাহাব বর্ণনা করেছেন-প্রমাণ হিসেবে তারা উপস্থাপন করেন মাখনাফ বিন সালিম রা:-এর হাদিস। মাখনাফ বিন সালিম রা: বলেন, আমরা রাসূলের সাথে আরাফার মাঠে অবস্থান করছিলাম, আমি শুনলাম তিনি
রজব মাসে রোজা পালনের ব্যাপারে স্বতন্ত্র কোন ফজিলত বর্ণনা করা হয় নি। বরং অন্যান্য মাসের মতই তাতে এবাদত করা হবে, রোজা রাখা হবে- যেভাবে রাখা হয় অন্যান্য মাসে। পেশাদার ওয়ায়েজ ও গল্পকার ভণ্ড ধার্মিকরা
হিজরি বছরের প্রথম মাস মহররম। মর্যাদা ও শ্রেষ্ঠত্বেও মাসটি অন্যতম। তাইতো রমজানের রোজার পর আশুরার রোজা শ্রেষ্ঠ ইবাদত। মহররমের ১০ তারিখ রোজা রাখতে হয়। নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমজানের রোজা ফরজ হওয়ার অনেক আগে








