আমাদের দেশে অনেক অঞ্চলে সাধারণ মানুষ মনে করেন কবরে মৃত ব্যক্তিকে যেহেতু প্রশ্নোত্তরের জন্য বসানো হবে, তাই কবরে মৃত ব্যক্তির উঠে বসার মতো জায়গা রাখা জরুরি। এই ধারণা থেকে তারা কবর গভীর করে খনন করেন
আমরা কত ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করি, কত স্বপ্ন দেখি যেন আমরা আরো অনেক দিন বেঁচে থাকব। কিন্তু আমরা ভেবে দেখি না যে এই ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা ও সুদীর্ঘ আশা-আকাঙ্ক্ষা আমাদের মৃত্যু থেকে গাফেল রাখে এবং আখিরাত বিমুখ
আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত নবিজি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন, কবিরা গুনাহসমূহের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ গুনাহ চারটি;
১. আল্লাহর সাথে শরিক করা; ২. কোনো ব্যক্তিকে (অন্যায়ভাবে) হত্যা করা; ৩. পিতা-মাতার অবাধ্য হওয়া; ৪. মিথ্যা বলা অথবা তিনি
বিড়াল গৃহপালিত আদুরে প্রাণী। আমাদের দেশে অনেকেই বিড়াল পালন করেন। মানসিক চাপ কমানো, ঘর ইঁদুরমুক্ত রাখাসহ বিড়াল পালার কিছু উপকারিতাও রয়েছে।ইসলামে বিড়াল পোষা জায়েজ। অনেক সাহাবি বিড়াল পালতেন বলে বর্ণিত রয়েছে। শর্ত হলো বিড়ালের যথাযথ
আবদুল্লাহ ইব্নু ‘আমর রা: থেকে বর্ণিত, নবী সা: বলেন : চারটি স্বভাব যার মধ্যে বিদ্যমান সে হচ্ছে খাঁটি মুনাফিক। যার মধ্যে এর কোনো একটি স্বভাব থাকবে, তা পরিত্যাগ না করা পর্যন্ত তার মধ্যে মুনাফিকের একটি
সন্তান আল্লাহর অনেক বড় নেয়ামত। দুনিয়ার জীবনে সন্তান যেমন চোখের শীতলতা ও দুর্বলতায়, বার্ধক্যে ভরসা হয়, সন্তানকে নেক মানুষ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলে সে দুনিয়া ও আখেরাতে সওয়াবের কারণ হয়। মৃত্যুর পরও নেক সন্তানের কারণে
মৃত্যু অমোঘ বাস্তবতা। এই ক্ষণস্থায়ী জীবন শেষ করে আমাদের সবাইকেই একদিন মৃত্যুর কাছে ধরা দিতে হবে। এই দুনিয়ার সফর শেষ করে পাড়ি জমাতে হবে পরপারে এবং মহান রাব্বুল আলামিনের সামনে নিজের কৃতকর্ম নিয়ে দাঁড়াতে হবে।
মানুষের জীবনে অনেক সময় দুঃখ-দুর্দশা নেমে আসে। তখন অস্থির হয়ে পড়ে সবার অন্তর। এমন বিপদঘন মুহূর্তে মহানবী (সা.)-এর একটি দোয়া বেশি পড়তেন। দোয়াটি হলো-
«لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ الْعَظِيمُ الْحَلِيمُ، لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ رَبُّ الْعَرْشِ








