ইসলামে ইমানের পর নামাজ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ইবাদত। আল্লাহ তাআলা পবিত্র কোরআনে ৮২ বার সরাসরি নামাজের কথা বলেছেন। নামাজের গুরুত্ব সম্পর্কে বহু হাদিস বর্ণিত রয়েছে।ইসলাম নিজে আমল করার পাশাপাশি অন্যদের আমল করতে উৎসাহ দেওয়া বা দাওয়াত
সুরা মুজ্জাম্মিল কোরআনের ৭৩তম সুরা। মক্কায় অবতীর্ণ এ সুরাটির আয়াত ২০টি, রুকু বা অনুচ্ছেদ ২টি। সুরার প্রথম আয়াতে রাসুলকে (সা.) মুজ্জাম্মিল বলে সম্বোধন করা হয়েছে। এ শব্দটিকেই সুরার নাম হিসেবে গ্রহণ করা হয়েছে। মুজ্জাম্মিল অর্থ
ফজরের দুরাকাত সুন্নাত নামাজ প্রতিদিনের সুন্নাতে মুআক্কাদা নামাজসমূহের অন্তর্ভুক্ত যা রাসুল (সা.) নিয়মিত পড়তেন। হজরত আয়েশা (রা.) বলেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জোহরের আগে ৪ রাকাত এবং ফজরের আগে ২ রাকাত সুন্নাত নামাজ কখনো
যথাসম্ভব জামাতের সঙ্গে আদায় করার আপ্রাণ চেষ্টা করা। কেননা নবীজি (সা.) বলেছেন, কোনো ব্যক্তির জামাতে নামাজের সওয়াব তার নিজের ঘরে ও বাজারে আদায়কৃত নামাজের সওয়াবের চেয়ে ২৫ গুণ বাড়িয়ে দেওয়া হয়। (বুখারি, হাদিস :
মুসাফিরের জন্য চার রাকাত বিশিষ্ট ফরজ নামাজগুলো অর্থাৎ জোহর, আসর ও ইশার ফরজ নামাজ কসর করা বা সংক্ষীপ্ত করে দুই রাকাত পড়া জরুরি। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রা.) বলেন,
فَرَضَ اللهُ الصَّلَاةَ عَلَى لِسَانِ نَبِيِّكُمْ صَلَّى اللهُ
নারীদের জুমার জামাতে অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে কোনো নিষেধাজ্ঞা নেই। রাসুলের (সা.) যুগে নারীরা রাসুলের (সা.) পেছনে জুমার নামাজ আদায় করতেন। তবে ইসলামে জুমার নামাজ ওয়াজিব হওয়ার জন্য পুরুষ হওয়া শর্ত। জুমার নামাজ নারীদের জন্য ওয়াজিব নয়।
১. হাদিসে উল্লিখিত ১২ রাকাত নামাজ আমাদের কাছে সুন্নাতে মুআক্কাদা নামে পরিচিত। সুনানে তিরমিজির বর্ণনায় বিস্তারিত উল্লিখিত রয়েছে ওই ১২ রাকাত নামাজ কখন কীভাবে আদায় করতে হবে। নবিজি (সা.) বলেছেন,
أَرْبَعًا قَبْلَ الظُّهْرِ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَهَا وَرَكْعَتَيْنِ
ফরজ নামাজের পাশাপাশি নবিজি (সা.) ও তার সাহাবিরা নিয়মিত ১২ রাকাত নফল নামাজ পড়তেন। যে নামাজকে আমরা সুন্নাতে মুআক্কাদা বলে থাকি। প্রতিদিন ১২ রাকাত নফল নামাজের ফজিলত বর্ণনা করে রাসুল সা. বলেছেন, مَنْ صَلَّى اثْنَتَيْ عَشْرَةَ








